শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় জাপানে বঙ্গমাতার ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত


বন্ধন টিভি ডেস্ক
প্রকাশের সময় : আগস্ট ৮, ২০২২, ১:২৩ অপরাহ্ণ / ৪২
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় জাপানে বঙ্গমাতার ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত

জাপানের টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস, বিনম্র শ্রদ্ধা, সম্মান আর ভালোবাসা নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকীি উদযাপন করেছে। দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ এবং দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ।

সকালের অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর আজীবনের আন্দোলন, সংগ্রাম ও ত্যাগ-তিতীক্ষার অকুন্ঠ সমর্থক ও প্রেরণাদায়ী মহিয়সী নারী বঙ্গমাতা ফজ্যিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। এর পর বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতাসহ তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদদের আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্বাস্থ্য এবং দেশ ও দেশবাসীর কল্যাণে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী সকললের উদ্দেশ্যে পাঠ করে শোনানো হয়।রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ বলেন, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব সারাজীবন বঙ্গবন্ধুকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনের নিভৃত সহচর হিসেবে বিদ্যমান থেকে বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান ও সহযোগিতা করেছেন।

রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, সংগ্রামী জীবনে বঙ্গবন্ধু বহুবার কারাবরণ করেছেন, আর তখন সাহসী বঙ্গমাতা পরিবার দেখাশোনার পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছিলেন প্রজ্ঞা ও দায়িত্বশীলতার সাথে আর এজন্যই কোন রাজনৈতিক পদধারী না হয়েও তিনি বাংলাদেশে নারীদের রাজতিক ক্ষমতায়নের প্রতীক।

আরও পড়ুন:সেই শিশুকে এক মাসের মধ্যে ৫ লাখ টাকা দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

রাষ্ট্রদূত বলেন, বঙ্গমাতা ছিলেন একজন আদর্শ নারী যিনি পরিবারে স্ত্রী-মাতার ভূমিকায় কোমলতা আর দেশের প্রয়োজনে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণে কঠোরতার এক অপূর্ব সংমশ্রিণ ঘটিয়ে ছিলেন। তিনি বঙ্গমাতার আদর্শে দেশের নতুন প্রজন্ম বিশেষ করে নারীদের কাছে তুলে ধরার আহ্ববান জানান যাতে বঙ্গমাতার জীবনকর্ম থেকে আজকের প্রজন্ম ত্যাগ, দেশপ্রেমে, সাহস, বিচক্ষনতা ও দূরদর্শিতার শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্যায়ে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের কর্মজীবন, ত্যাগ ও সংগ্রামের উপর উম্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় এবং তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

Spread the love
Link Copied !!