তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দেওয়ার প্রস্তাব বিএনপির


বন্ধন টিভি ডেস্ক
প্রকাশের সময় : আগস্ট ১১, ২০২২, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ / ১২৩
তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দেওয়ার প্রস্তাব বিএনপির

তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দেওয়ার প্রস্তাব বিএনপিরর। অবিলম্বে আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতা ছেড়ে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এসময় আওয়ামী লীগ এদেশকে একটি ব্যার্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে বলে মির্জা ফখরুল বলেন ১০ টাকায় চাউল খাওয়ানোর কথা বলে ক্ষমতায় এসে আপনারা এখন ২২ টাকা কেজি সার বিক্রি করছেন। আর চাউলের দামতো আকাশচুম্বি আপনারা জনগণের সাথে প্রতারণা করছে। প্রতারণা করে জনগণের অধিকার ধ্বংস করেছেন। বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না।

বৃহস্পতবিার(১১জুলাই) জ্বালানী তেলের মূল্য ও সকল নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ ও ভোলা জেলা ছাত্রলের সভাপতি নূরে আলম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবদুর রহিমকে হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ-উত্তর আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন দলেরমহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এসময় ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ঘরে ঘরে চাকরি দেওয়ার নামেও প্রতারণা করেছে তারা। বাক স্বাধীনতা ও সংবাদত্রের স্বাধীনতা খর্ব করে গণতন্ত্রকে গলাচেপে ধরার চেষ্টা করেছে। আপনারা অবিলম্বে ক্ষমতা ছেড়ে দিন। জনগণের ক্ষমতা জনগণকে বুঝিয়ে দিন।

ফখরুল বলেন, সরকার রোহিঙ্গা ক্যাম্প নজরদারিতে রাখার জন্য ইরান থেকে ২১০০ ড্রোন কিনেছেন। আসলে তারা রোহিঙ্গাদের নজরদারি রাখার জন্য ড্রোন কিনেন। সর্বদা বিরোধী দলকে নজরবন্দী করতইে তারা ড্রােন কিনেছে।

পুলিশবাহিনী ও প্রসাশনের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ভুলে যাবেন না যে আপনারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। আপনারা কোন বিশেষ দলের কর্মচারী নয়। আপনাদেরকে কোন দলের পক্ষে কাজ না করে জনগণের জন্য কাজ করতে হবে।

জ্বালানী তেলের দাম বাড়ানোর ফলে সরকার আরও বেশী আমদানি করার সুযোগ পেয়েছে এতে করে চুরি করারও সুযোগ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত ৭৮ হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। কিভাবে কারা এত টাকা পাচার করেছে তা খুঁজে বের করেন।

গত ৭ বছরে ২৭০ কোটি বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় হয়েছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়ের হিসাব আছে ২৪০ বিলিয়ন ডলারের। বাকি ৩০ হাজার বিলিয়ন ডলার কোথায় আছে তা জনগন জানতে চায়৷

আজকের শান্তিপূর্ণ সমাবেশকে সরকার ভয় পেয়েছে উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, এই সমাবেশে আসার পথেও একজন কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের এত ভয় কেন? আমরাতাে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি।

এসময় যুব সমাজের উদ্দেশ্যে ফখরুল বলেন, আমাদের নেতা, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে যুব সমাজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। যুব সমাজকে জেগে উঠতে হবে। নতুন করে দেশকে স্বাধীন করতে হবে। লড়াই শুরু হয়েছে। বেচে থাকার লড়াই। আঠার কোটি মানুষের বেচে থাকার লড়াই করতে হবে। সরকারকে হুঁশিয়ার করে ফখরুল বলেন, আপনারা যত গুম করেছেন, খুন করেছেন এসব কিছুর বিচার একদিন হবে।হত্যার বিচার হবে।

আরও পড়ুন: ‘লক্ষ্মীছানা’-র কী নাম রাখলেন বাসবদত্তা?

সমাবেশে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম এর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন,ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান,মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির যুগ্ন মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট জয়নাল আবেদীন, এডভোকেট আহমেদ আযম খান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, শামছুজ্জামান দুদু,আবদুল্লাহ আল নোমান।

এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন, ডা. জাহিদ, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্যা আমান, সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিন বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, জাতীয়তাবাদী দলের সভাপতি মােস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল প্রমূখ।

Spread the love
Link Copied !!